• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]

বিশ্বকাপ মিশন শুরু ৭-১ জয় দিয়ে জার্মানির

ক্রিয়া প্রতিবেদন / ৩৫ Time View
Update : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

নবাগত ও ক্ষুদ্র দ্বীপদেশ কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জার্মানির জয়টা অনেকটাই অনুমেয় ছিল। কিন্তু ব্যবধান এমন হবে তা ম্যাচের প্রথম দিকে কেউ হয়তো ভাবতে পারেনি। কারণ জার্মানির দেয়া প্রথম গোল প্রতিপক্ষ পরিশোধ করে দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিশাল জয় দিয়েই এবারের বিশ্বকাপ মিশন শুরু করে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

রোববার যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টনে ই-গ্রুপের এ ম্যাচ শুরু হওয়ার পর জার্মানি এক গোল দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পর যখন কুরাসাও গোল দিয়ে সমতায় ফিরে এলো, তখন সিঁদুরে মেঘ দেখার মতো আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছিল জার্মান সমর্থকরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কুরাসাওয়ের জালে ৭ গোল দিয়ে থামলো জার্মানি।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে একচেটিয়া আধিপত্য দেখায় হুলিয়ান নাগেলসমানের দল। এর ফলও পেয়ে যায় দ্রুত। ষষ্ঠ মিনিটে ফ্লোরিয়ান ভির্ৎজের নিখুঁত পাস থেকে ফেলিক্স এনমেচা ডান পায়ের বাঁকানো শটে জার্মানিকে এগিয়ে দেন ১-০ ব্যবধানে।

গোলের পরও আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে জার্মানি। জামাল মুসিয়ালা, লেরয় সানে ও ভির্ৎজ একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও দ্বিতীয় গোল আসছিল না। উল্টো ২১তম মিনিটে ইতিহাস গড়ে কুরাসাও। জার্গেন লোকাডিয়ার শট ব্লক হওয়ার পর ফিরতি বলে লিভানো কোমেনেনসিয়ার শট জশুয়া কিমিখের গায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায়। বিশ্বকাপ ইতিহাসে কুরাসাওয়ের প্রথম গোলেই ১-১ সমতা ফেরে ম্যাচে।

তবে সমতায় খুব বেশি সময় থাকতে পারেনি কুরাসাও। ৩৮তম মিনিটে নাথানিয়েল ব্রাউনের কর্নার থেকে হেডে গোল করে জার্মানিকে আবারো এগিয়ে দেন নিকো শ্লটারবেক। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সে ফেলিক্স এনমেচাকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় জার্মানি। স্পট কিক থেকে কাই হাভার্টজ গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে করেন ৩-১।

বিরতির পর জার্মানি আরো ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। ৪৭তম মিনিটে কিমিখের বাড়ানো বল থেকে মুসিয়ালা নিখুঁত ফিনিশিংয়ে চতুর্থ গোল করেন। এরপর কুরাসাওয়ের রক্ষণ ভেঙে পড়তে শুরু করে।

৬৮তম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় দেনিজ উনদাভের দারুণ ফ্লিক থেকে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করেন নাথানিয়েল ব্রাউন। তাতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-১।

এর ১০ মিনিট পর আবারো গোলের দেখা পায় জার্মানি। কিমিখের পাস থেকে দেনিজ উনদাভ গোল করে ব্যবধান বাড়ান ৬-১ এ। ম্যাচের শেষ দিকে কুরাসাওয়ের ক্লান্ত রক্ষণকে আরো একবার শাস্তি দেন কাই হাভার্টজ। ৮৮তম মিনিটে উনদাভের থ্রু বল ধরে গোলরক্ষক এলয় রুমকে পরাস্ত করে নিজের দ্বিতীয় ও দলের সপ্তম গোলটি করেন আর্সেনাল ফরোয়ার্ড।

শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে ৭-১ গোলের বিশাল জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

কুরাসাওয়ের একমাত্র গোলটি আসে লিভানো কোমেনেনসিয়ার পা থেকে, যা দেশটির বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম গোল হিসেবেও রেকর্ডে জায়গা করে নেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd